আরামিট গ্রুপের ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন জাবেদ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আরামিট লিমিটেডের ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে এই বিপুল পরিমাণ টাকা সরিয়ে নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
- আরামিট লিমিটেড থেকে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের বিরুদ্ধে।
- এই টাকা বিভিন্ন ভুয়া লোন ও অনিয়মের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
- সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের টাকা এভাবে আত্মসাৎ করায় কোম্পানিটি এখন বড় ধরনের সংকটে পড়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দেশের অন্যতম বড় শিল্পগ্রুপ আরামিট লিমিটেডের প্রায় ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা এই টাকা সরিয়ে নিয়েছেন বলে বিভিন্ন তদন্তে উঠে এসেছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের টাকা এভাবে লোপাট করায় কোম্পানিটির ভবিষ্যৎ এখন চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
জানা গেছে, জাবেদ ও তার family দীর্ঘদিন ধরে আরামিট গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছিলেন। এই সুযোগে তারা ব্যাংকের নিয়ম ভেঙে এবং ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বিপুল পরিমাণ টাকা নিজেদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে নিয়ে যান। শেয়ারবাজারের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ মানুষের বিনিয়োগ করা এই টাকা কোম্পানির উন্নয়নে ব্যবহার করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি।
এই ঘটনা সামনে আসার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ শেয়ারহোল্ডার ও বিনিয়োগকারীরা। তারা বলছেন, প্রভাব খাটিয়ে জাবেদ ও তার সহযোগীরা বছরের পর বছর ধরে এই লুটপাট চালিয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইতিমধ্যে এই জালিয়াতির তদন্ত শুরু করেছে এবং দোষীদের শাস্তির দাবি উঠেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিশাল অংকের টাকা আত্মসাতের ফলে কোম্পানিটি বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছে। দ্রুত এই টাকা উদ্ধার করা না গেলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা তাদের সব পুঁজি হারাবেন। সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যদি কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তবে দেশের শেয়ারবাজারের ওপর মানুষের বিশ্বাস আরও কমে যাবে।
“সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের এই বিশাল আর্থিক কেলেঙ্কারি দেশের করপোরেট সুশাসন ও রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের একটি বড় উদাহরণ। শেয়ারবাজারের একটি তালিকাভুক্ত কোম্পানি থেকে এভাবে ৫০০ কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়া প্রমাণ করে যে, দেশের আর্থিক খাতে তদারকির কতটা অভাব ছিল। সাধারণ মানুষের আমানত ও বিনিয়োগ রক্ষা করতে হলে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



