এলসি ছাড়াই যেকোনো দামের পণ্য আমদানির সুযোগ পেলেন ব্যবসায়ীরা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

বাংলাদেশ ব্যাংক এলসি বা ঋণপত্র ছাড়াই যেকোনো মূল্যের পণ্য আমদানির সুযোগ দিয়েছে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য আমদানি প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- এখন থেকে এলসি ছাড়াই যেকোনো মূল্যের পণ্য আমদানি করা যাবে।
- ডলার সংকটের কারণে এলসি খুলতে সমস্যা হওয়ায় এই সহজ নিয়ম চালু করা হয়েছে।
- ব্যবসায়ীরা মনে করছেন এর ফলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ বাড়বে ও দাম কমবে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যবসায়ীদের জন্য পণ্য আমদানির নিয়ম অনেক সহজ করেছে। এখন থেকে এলসি (ঋণপত্র) ছাড়াই যেকোনো দামের পণ্য বিদেশ থেকে আমদানি করা যাবে। আগে এলসি ছাড়া পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সীমার বেশি টাকা পাঠানো যেত না। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্যবসায়ীরা সহজেই কাঁচামাল ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দেশে আনতে পারবেন।
ডলার সংকটের কারণে গত কয়েক বছর ধরে দেশের ব্যাংকগুলোতে এলসি খোলা নিয়ে নানা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা সময়মতো পণ্য আমদানি করতে পারছিলেন না। এই সমস্যা দূর করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতিমালায় বড় পরিবর্তন এনেছে। আগে এলসি ছাড়া আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা ছিল, যা এখন পুরোপুরি তুলে দেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের পর ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সংগঠন এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, এর ফলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ বাড়বে এবং দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই সুবিধার অপব্যবহার করে যাতে দেশ থেকে টাকা পাচার না হয়, সেদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে কড়া নজর রাখতে হবে।
নতুন এই নিয়ম চালুর ফলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি বাড়বে। তবে ব্যাংকিং খাতে ডলারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং আমদানির আড়ালে কোনো অনিয়ম হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
“বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তটি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। ডলার সংকটের সময়ে এলসি খোলার জটিলতা দূর করে আমদানির পথ সহজ করা অত্যন্ত জরুরি ছিল। তবে এই সুযোগের আড়ালে যাতে ওভার-ইনভয়েসিং বা অন্য কোনো উপায়ে অর্থ পাচার না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



