কলেরার সংক্রমণ ঠেকাতে শুরু হলো বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দেশে কলেরার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রাথমিকভাবে বেশি ঝুঁকিতে থাকা এলাকার বাসিন্দাদের এই মুখে খাওয়ার টিকা দেওয়া হচ্ছে।
- কলেরার প্রকোপ কমাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে।
- ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দুই ডোজের এই মুখে খাওয়ার টিকা দেওয়া হবে।
- নিরাপদ পানি ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশে কলেরার সংক্রমণ ঠেকাতে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বিশেষ করে যেসব এলাকায় কলেরার প্রকোপ বেশি, সেসব এলাকার সাধারণ মানুষকে এই টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে বিভিন্ন সহযোগী সংস্থা এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে।
চিকিৎসকেরা জানান, দূষিত পানি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে প্রতি বছর গরমের শুরুতে কলেরার প্রকোপ বাড়ে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দুই ডোজের মুখে খাওয়ার ওরাল cholera ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। প্রথম ডোজ দেওয়ার নির্দিষ্ট সময় পর দেওয়া হবে দ্বিতীয় ডোজ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং এটি কলেরা প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর। তবে শুধু টিকা নিলেই হবে না, এর পাশাপাশি সবাইকে ফুটানো নিরাপদ পানি পান করতে হবে এবং খাবার খাওয়ার আগে ভালো করে হাত ধুয়ে নেওয়ার অভ্যাস বজায় রাখতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই টিকাদান কর্মসূচির ফলে কলেরার সংক্রমণ অনেক কমে আসবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই রোগ থেকে বাঁচতে হলে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরাপদ খাবার পানি ও উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
“কলেরার মতো পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে শুধু টিকার ওপর নির্ভর না করে ঢাকা ও অন্যান্য শহরের পানি সরবরাহ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সরবরাহকৃত পানি শতভাগ নিরাপদ করা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



