‘রিকনসিলিয়েশন’ ইশতেহারে আছে, আলোচনায় নেই
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ঘটনার সামগ্রিক গতিপ্রকৃতি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট খাতে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলছে। নীতিগত স্বচ্ছতা ও জনস্বার্থ সুরক্ষায় মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
- এতে প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপরীতে ভবিষ্যৎ–মুখী রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা ও পুনঃসমঝোতার কথা বলা হয়েছে।
- এমনকি জাতীয় সংসদ কিংবা রাজনীতিতে এ বিষয়ে কোনো আলোচনাও নেই।
- বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী বলেছে, ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশে সংঘাত, অনৈক্য ও বিভেদ নিরসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন (সত্য ও পুনঃসমঝোতা) কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কয়েকটি রাজনৈতিক দল। এতে প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপরীতে ভবিষ্যৎ–মুখী রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা ও পুনঃসমঝোতার কথা বলা হয়েছে। তবে সংসদ নির্বাচনের ছয় মাস পার হলেও এ ধরনের কমিশন গঠন করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যে ঘটনাটির তাৎক্ষণিক তীব্রতা ও মানবীয় প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
এমনকি জাতীয় সংসদ কিংবা রাজনীতিতে এ বিষয়ে কোনো আলোচনাও নেই। ইশতেহার ঘেঁটে দেখা যায়, সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে এ ধরনের কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী বলেছে, ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশন। সামগ্রিক প্রেক্ষাপট ও পূর্ববর্তী নথিপত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, কাঠামোগত কারণ ও দীর্ঘদিনের নীতিগত সিদ্ধান্তের সাথে এর প্রত্যক্ষ সংযোগ রয়েছে।
আর এনসিপি ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ ছাড়া ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে ‘সমন্বিত সর্বদলীয় সত্যানুসন্ধান ও বিভেদ নিরসন’ কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। রাজনৈতিক দলগুলো বলছে, সরকার গঠন করা হয়েছে ছয় মাস হলো মাঠপর্যায়ে গৃহীত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট তদারকি টিম কাজ করছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
“ঢাকা অঞ্চলে গৃহীত এ উদ্যোগ ও ঘটনাপ্রবাহের ক্ষেত্রে কেবল তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক সমাধান এবং নাগরিক সুবিধার দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা দেওয়াই সর্বোত্তম নীতি। সংশ্লিষ্ট খাত ও নীতি নির্ধারকদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করা প্রয়োজন। নাগরিক অধিকার রক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা অক্ষুণ্ণ রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ বজায় রাখাই এখন মুখ্য।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



