দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশে যাচ্ছে বাংলার কচু ও লতি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

বাংলাদেশের গ্রামীণ অঞ্চলের জনপ্রিয় সবজি কচু ও লতি এখন বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বাজারে এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন আশা দেখাচ্ছে।
- বাংলাদেশের কচু ও লতি এখন ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বিক্রি হচ্ছে।
- এই সবজি চাষ করে দেশের অনেক চাষি এখন স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
- সরকারি সহযোগিতা ও সহজ শর্তে ঋণ পেলে এই রপ্তানি আরও বাড়ানো সম্ভব।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
বাংলাদেশের গ্রামের সাধারণ সবজি কচু ও লতি এখন দেশের সীমানা পেরিয়ে চলে যাচ্ছে বিদেশে। ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশাপাশি বিদেশিদের কাছেও এই সবজির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন জেলার চাষিরা এখন বাণিজ্যিকভাবে কচু ও লতি চাষ করছেন।
কয়েক বছর আগেও কচু ও লতিকে অবহেলার চোখে দেখা হতো। কিন্তু পুষ্টিগুণে ভরপুর এই সবজি এখন কৃষকদের ভাগ্য বদলে দিচ্ছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে টন টন কচু ও লতি বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ করে নরসিংদী, যশোর ও জয়পুরহাটের লতি বিদেশে বেশি রপ্তানি হচ্ছে।
স্থানীয় চাষিরা জানান, ধান বা অন্য ফসলের চেয়ে কচু ও লতি চাষে খরচ অনেক কম কিন্তু লাভ বেশি। তবে বিদেশে পাঠানোর জন্য ভালো মানের সবজি তৈরি করতে আরও আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োজন। রপ্তানিকারকরা বলছেন, বিমান ভাড়া কম হলে এবং সংরক্ষণ করার ভালো ব্যবস্থা থাকলে এই খাত থেকে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব।
কৃষিখাত সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সরকারিভাবে চাষিদের প্রশিক্ষণ ও সহজ শর্তে ঋণ দিলে কচু চাষ আরও বাড়বে। সঠিক তদারকি ও বাজারজাতকরণের সুবিধা পেলে তৈরি পোশাকের মতো এই কৃষিপণ্যও দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।
“কচু ও লতির মতো অপ্রচলিত কৃষিপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত। তবে এই খাতের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার স্থাপন এবং রপ্তানি প্রক্রিয়া আরও সহজ করা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



