দেশ সংস্কার করতে অন্তর্বর্তী সরকারের কিছুটা সময় লাগবে
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দেশের শাসনব্যবস্থা ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানকে নতুন করে সাজাতে কাজ শুরু করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিগত দেড় দশকের অনিয়ম ও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রশাসনের কিছুটা সময় প্রয়োজন। বিশেষ করে বিচার বিভাগ, অর্থনীতি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম দূর করতে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে রাতারাতি সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়।
- টেকসই সংস্কারের জন্য জনগণের ধৈর্য ও সহযোগিতা চেয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশের শাসনব্যবস্থা ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানকে নতুন করে সাজাতে কাজ শুরু করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিগত দেড় দশকের অনিয়ম ও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রশাসনের কিছুটা সময় প্রয়োজন। বিশেষ করে বিচার বিভাগ, অর্থনীতি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সংস্কার প্রক্রিয়া সফল করতে জনগণের ধৈর্য ও সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকেরা।
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অনিয়মের কারণে দেশের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে আর্থিক খাত ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এসব খাতে সংস্কারের কাজ শুরু করেছে, তবে পুঞ্জীভূত সমস্যাগুলো রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য বেশ কয়েকটি কমিশন গঠন করা হয়েছে। এই কমিশনগুলো বিভিন্ন অংশীজনদের সাথে আলোচনা করে তাদের সুপারিশ জমা দেবে। প্রশাসনকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করে একটি পেশাদার ও জনবান্ধব কাঠামোতে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হতে পারে। তাই একটি টেকসই ও लोकतांत्रिक ব্যবস্থার ভিত্তি তৈরি করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া উচিত। তবে একই সাথে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দৃশ্যমান কিছু পদক্ষেপ দ্রুত নেওয়ার তাগিদও দিচ্ছেন অনেকে।
“বিগত সরকারের দীর্ঘদিনের অনিয়ম সংস্কার করা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য একটি বড় পরীক্ষা। জনগণের উচ্চ প্রত্যাশা এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে সংস্কার কাজ এগিয়ে নেওয়া বেশ কঠিন। তবে টেকসই গণতন্ত্রের জন্য এই সংস্কার অপরিহার্য।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



